সুস্বাস্থ্যের জন্য চাই সঠিক নিয়মিত ও পরিমিত খাবার।। "Maintaining your skin at its optimal health and apearance will greatly contribute to your quality of life". নিরাপদ পুষ্টিকর খাবার সুস্থ জীবনের অঙ্গীকার।।
Post

বন্ধ্যাত্ব রোধে অভ্যাস পরিবর্তন করুন।। জেনে নিন কিভাবে।।

নারীর স্বাস্থ্য

সচেতনতা বাড়লেও সমস্যাকে এখনও ঝেড়ে ফেলা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও নানাভাবে জীবনযাত্রা বদলের কথাই বলে আসছেন। বিরাট কোনও শারীরিক অক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় নাজেহাল হতে হচ্ছে কমবেশি অনেককেই। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন প্রায়ই।

‘বন্ধ্যাত্বের সমস্যা নিয়ে আগে মানুষের মধ্যে নানা ভুল ধারণা ছিল। এখনও শিক্ষার আলো যেখানে কম, সেখানে সমস্যাটা রয়ে গিয়েছে। মানুষ ব্যক্তিগত স্তরে কিছুটা সচেতন হয়েছে। তবে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এখনও এ নিয়ে কিছুটা অজ্ঞতা রয়েই গিয়েছে। বন্ধ্যাত্ব বেড়ে যাওয়ার অনেকগুলো কারণের মধ্যে মূলত জীবনযাপনের কায়দাকানুন অন্যতম। কারও কারও ক্ষেত্রে ওষুধ খেয়ে বা আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার মাধ্যমে সেসব স্বাভাবিক করার চেয়ে জীবনযাত্রার কিছুটা বদল আনলেই তা অনেকটা সমাধান হয়ে যায়। আর এই বদল আনা উচিত সন্তানধারণের অনেক আগে থেকেই।’ জানালেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ মার্থা হাজরা।

নিজেদের বেশ কিছু অভ্যাসে রাশ টানলেই বন্ধ্যাত্বের সমস্যাকে অনেকটা কাটিয়ে ওঠা যায়। দেখে নিন তেমনই কিছু রোজনামচা, যা পিতা-মাতা হয়ে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ধূমপান : এই বদভ্যাস পারলে আজই ছাড়ুন। তামাক শরীরের অন্যান্য ক্ষতি যেমন করে, তেমনই মহিলা ও পুরুষের যৌন হরমোন ক্ষরণের মাত্রা কমায় ও স্পার্ম কাউন্টও কমিয়ে দেয়। পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই তাই ধূমপান বর্জনীয়।

অ্যালকোহল : টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমানোর নেপথ্যে অন্যতম দায়ী অ্যালকোহল। তাই মদ্যপানের আসক্তি কমান।

মানসিক অবসাদ : মানসিক অবসাদ স্পার্ম কাউন্ট যেমন কমায়, তেমনই যৌন জীবনকে অসুখী করে তোলে। হতাশা বা মানসিক চাপ আসে এমন বিষয় এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যত দ্রুত হতাশা কাটাতে পারবেন ততই সমস্যা মিটবে।

ওজন : শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন। যে কোনও উপায়েই ডায়েট মেনে চলা, হাঁটাহাঁটি, কিছু হালকা শারীরিক কসরতকে রাখতেই হবে রোজনামচায়। অতিরিক্ত ওজন স্পার্মের সংখ্যা কমিয়ে দেয়। বিভিন্ন যৌন সমস্যাকেও ডেকে আনে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে সচেষ্ট হোন আজ থেকেই।

টিউমার : শরীরে কোনও অসুখের জন্য যদি টিউমার হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। টিউমারের কারণেও স্পার্ম কাউন্ট কমে।

এক জায়গায় বসে কাজ : আজকাল বেশির ভাগ অফিসেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে হয়। ওঠা-হাঁটা কম হওয়ার কারণেও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দেয় অনেক সময়। কাজের ফাঁকে পেশি ও স্নায়ুকে সক্রিয় রাখতে মাঝে মাঝেই ডেস্ক ছেড়ে উঠে হাঁটুন।

সময় : আজকাল ছেলে-মেয়ে উভয়েই দেরিতে বিয়ে করেন, ফলে পরিবার পরিকল্পনা করতেও অনেকটা দেরি হয়ে যায়। দুজনের বয়স ৩৫ পেরলে বন্ধ্যাত্বের রিস্ক ফ্যাক্টর বাড়ে। সুতরাং খুব দেরি করে মা-বাবা হওয়ার পরিকল্পনা ছাড়ুন। জীবনে কাজের সঙ্গে পরবিবারও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিয়ে বা পরিবার পরিকল্পা দুটোর ক্ষেত্রেই খুব একটা গড়িমসি করবেন না।

মোঃ আব্দুর রহমান ফাহাদ।।

জুনিয়র মেডিসিন কনসাাালটেন্ট।।

12 comments

leave a comment