সুস্বাস্থ্যের জন্য চাই সঠিক নিয়মিত ও পরিমিত খাবার।। "Maintaining your skin at its optimal health and apearance will greatly contribute to your quality of life". নিরাপদ পুষ্টিকর খাবার সুস্থ জীবনের অঙ্গীকার।।
Post

সাইনুসাইটিস নিরাময় জেনে রাখা জুরুরী।।

নাক, কান, গলা

সাইনুসাইটিসের সমস্যা আমাদের অনেকেরই আছে। তবে আমাদের না জানা বা গাফেলতির কারণে এই রোগটি আমরা অনেক সময়েই এড়িয়ে চলি। লক্ষণ বিবেচনা করে চিকিৎসা করা হলে এটা নিরাময় করা সম্ভব। তার আগে লক্ষণগুলো জানা দরকার। এটা কেন হয়, এই রোগে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা কেমন কার্যকর হতে পারে তা নিয়ে থাকছে আজকের আলোচনা।

সাইনুসাইটিস আসলে কী?

আমাদের নাকের চারপাশে হাঁড়ের বাতাসে পূর্ণ কুঠুরিগুলোকে সাইনাস বলা হয়। আর সাইনুসাইটিস হলো সাইনাসের ব্যাকটেরিয়াজনিত প্রদাহ।

সাইনাসের প্রদাহের কারণ

সাইনাসের প্রদাহের মধ্যে ম্যাগজিলারি সাইনাসের প্রদাহ সবচেয়ে বেশী হয়। একিউট সাইনুসাইটিস ও শ্বাসনালীর উপরের অংশের প্রদাহ, অ্যালার্জি, অপুষ্টি, স্যাঁতস্যাতে পরিবেশে থাকলে, দীর্ঘদিনের দাঁতের রোগ থেকেও প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। আবার কখনো শ্বাসনালীর ছিদ্র সরু হলেও এটা হতে পারে। তবে বেশিরভাগ সাইনাসের প্রদাহ নাকের প্রদাহ থেকে হয় মূলত।

সাইনোসাইটিসের লক্ষণগুলো কী???

নাকের পাশে ক্রমাগত ব্যথা, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা হতে পারে। এছাড়া সবসময় নাক বন্ধ থাকা, কোনো স্বাদ ও ঘ্রাণ বুঝতে না পারা, সাধারণত বিমর্ষতা, অস্থিরতা ও অনীহা জাগা, মাঝেমধ্যে জ্বর আসার সমস্যা দেখা যায়। মিউকাসের আবরণ পাতলা হয়ে যাওয়া।

নাকের পলিপ

নাকের পলিপ থেকেও সাইনুসাইটিস হতে পারে। নাকের পলিপের উৎপত্তি মূলত নাকের সাইনাসগুলো থেকেই। আর এই পলিপ আসলে সাইনাসের বা নাকের আবরণের একটি অংশ যা দেখতে অনেকটা আঙ্গুর ফলের থোকার মতো।

পলিপ রোগের সাধারণ উপসর্গগুলো কি কি

১. নাক বন্ধ পলিপ রোগীদের প্রধান ও একমাত্র উপসর্গ।

২. ঠাণ্ডাজনিত কারণে নাক বন্ধ প্রকট আকার ধারণ করে।

৩. পলিপ হলে হাঁচি অন্যতম উপসর্গ।

৪.  নাক থেকে প্রায়ই পুঁজ বা পানি নির্গত হওয়া।

৫. প্রায়ই মাথাব্যথা করা।

৬. নাক ব্যথা বা মুখমণ্ডলে ব্যথা অনুভব করা।

৭. নাকের পিছনে ময়লা অনুভব করা, যা নাক টানলে কালো কালো পদার্থ বের হয়।

৮. খুশখুশে কাশি, বার বার গলা পরিষ্কার করার চেষ্টা।

৯. নাক থেকে দূর্গন্ধ বের হতে পারে, নাকে কথা কথা হবে।

১০. হা করে বা মুখ খুলে ঘুমানো বা শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়া, নাকডাকা ইত্যাদি।

সাইনুসাইটিস হতে মুক্তি

১. অ্যালার্জি এবং ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলা।

২. গুমট ভাব এড়িয়ে আলো বাতাসপূর্ণ বাড়িতে পরিবেশে বসবাস করা, ঘন বসতি পরিহার করা।

৩. পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।

৪. নাকের প্রদাহ বা অন্য কোনো নাকের রোগ বা গলার অন্য কোনো সমস্যা, দাঁতের প্রদাহ ইত্যাদির সময়োপযোগী চিকিৎসা করলে অনেক ক্ষেত্রে সাইনোসাইটিস থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

মোঃ আব্দুর রহমান ফাহাদ।।

 

জুনিয়র মেডিসিন কনসালটেন্ট।।

12 comments

leave a comment